হোম বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব মুখরোচক খাবার নদ-নদী দর্শনীয় স্থান কৃষি ব্যবস্থা পোস্ট


মুখরোচক খাবার

*তিলে খাজা;

*কুলফি মালাই;

*দধি;

*মিষ্টান্ন;

*মটকা;


তিলে খাজা

কুমারখালীর তিলের খাজা বর্তমানে ক্ষুদ্র শিল্পে পরিণত হয়েছে। সারাবছর এটি পাওয়া যায় তবে শীতে তিল চাষ হয় তাই শীত কালের তিলের খাজার কদর রয়েছে অন্যরকম। কুমারখালীর অনেক ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে একটি তিলের খাজা। কুমারখালীর তিলের খাজার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের সময়ে এর আবির্ভাব ঘটে কুমারখালীতে। জানাগেছে, এ অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে পাল সম্প্রদায়ের লোক এ উপাদেয় খাদ্যটি তৈরি করত। ৭১'এর পর থেকে কুষ্টিয়া শহরের চর মিলপাড়ায় গড়ে ওঠে তিলের খাজা তৈরীর কারখানা। বর্তমানে ২০০ কেজি তিলের খাজা প্রতিদিন উৎপাদন করা হচ্ছে। কুমারখালীর তিলের খাজার নাম শুনলে জিভে জল আসে না এমন লোকের সংখ্যা কমই আছে।




কুলফি মালাই

কুলফি মালাই হলো ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া অঞ্চলের অতি পরিচিত একটি ডেজার্ট। অন্যান্য বিখ্যাত খাবারের মতো কুলফিও নিজস্ব কিছু ঐতিহ্য বহন করে। এর উৎপত্তি ঘটেছিল মুঘল আমলে। ষোড়শ শতকে ঘন দুধের সাথে পেস্তাবাদাম এবং জাফরান মিশিয়ে রাজা-বাদশাহ দের জন্য তৈরি করা হতো এই সুস্বাদু খাবারটি। অনেক স্থানেই কুলফি তৈরি হলেও কুমারখালীর কুলফির খ্যাতি অনেক বেশি এবং পুরোনো। শুধু এই অঞ্চলের মানুষই নয় অন্যান্য অনেক অঞ্চলের মানুষেরই পছন্দের ডেজার্ট হলো এই কুলফি।




দধি

দধি বা দই হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাকটেরিয়া গাঁজন হতে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের উপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে। দই বা দধির পরিচিতি কুমারখালী শহরে অনেক আগে থেকেই। এখানকার লাল দধি দেখলেই বোঝা যায় এটি কতটা মজাদার। কুমারখালীর ঐতিহ্যবাহী এই দধির স্বাদের সুনাম রয়েছে পুরো দেশ জুড়েই। বর্তমানে কুমারখালীর অনেক পরিবারেরই জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে এই দধি শিল্পের মাধ্যমে। এই শিল্পটি সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার ঐতিহ্য বৃদ্ধিতে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে।




মিষ্টান্ন

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। পূর্বে নদীয়া জেলার এই মহাকুমাটির রয়েছে নানা স্থান, ঐতিহ্য এবং খাবার। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি জাতি মিষ্টিপ্রিয়। কোনো শুভ কাজ সম্পন্ন হলে তারা মিষ্টিমুখ করেই তা পালন করে। কুমারখালীর যেমন বিভিন্ন স্থান ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে খ্যাতি রয়েছে তেমনি নানা রকম মিষ্টান্নর জন্যও যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। এখানে জিলাপি থেকে শুরু করে চমচম,রসমালাই,সন্দেশ,প্যারা সন্দেশ, রসগোল্লা ইত্যাদি নানা রকম মজাদার মিষ্টি তৈরি করা হয়। এসব মিষ্টি শুধু কুমারখালী উপজেলার সুনাম বৃদ্ধিতে নয় বরং অর্থনৈতিক অবস্থাকে সচল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।




মটকা

আসিতেছে...........................................



Creators

Tausif Masud

(Developer)

Abu Esha

(Designer)