হোম বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব মুখরোচক খাবার নদ-নদী দর্শনীয় স্থান কৃষি ব্যবস্থা পোস্ট

এক নজরে দর্শনীয় স্থান



দর্শনীয় স্থান

*কুঠিবাড়ী;

*বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার;

*মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা;

*কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের ছাপাখানা ও জাদুঘর;

*ইকো পার্ক - কুমারখালী;

*আলাউদ্দিন আহম্মেদ শিক্ষা পল্লী পার্ক;

*মীর মশাররফ হোসেন সেতু;

*শিশু পার্ক - কুমারখালী;

*শিলাইদহ কাঠের বাড়ি


কুঠিবাড়ী

কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহের কুঠিবাড়ী অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে রবীন্দ্রনাথের ঠাকুরদা দ্বারকানাথ ঠাকুর শিলাইদহ জমিদারী ক্রয় করে ১৮১৩ সালে তিনি কুঠিবাড়িটি নির্মাণ করেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ, জ্যোতিবিন্দ্র নাথ, হেমেন্দ্রনাথ, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ ঠাকুর বংশের প্রায় সকলেই পদ্মা গড়াই বিধৌত এখানে বসবাস করেন। মূলতঃ জমিদারী কাজকর্ম দেখাশুনার জন্য এই বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল। সে সময়ে ঠাকুর পরিবারে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ; নাটোরের পতিসর ও পাবনার শাহজাদপুরে তিনটি জমিদারী ছিল। পারিবারিক আদেশে রবীন্দ্রনাথকে শিলাইদহে জমিদারী পরিচালনার জন্য এসেছিলেন।কুমারখালীশহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে এই কুঠিবাড়ী অবস্থিত। এখানে জেলা পরিষদের ডাক বাংলো আছে। পিয়ন এবং নৈশ প্রহরি আছে।

টেগোর এন্ড কোম্পানী (টেগর লজ)১৮৯৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেকে ব্যবসার সাথে জড়িয়ে ফেলেন। তিনি ও তার দুই ভাগ্নে সুরেন্দ্রনাথ ও বলেন্দ্রনাথ এর সহায়তায় শিলাইদহে টেগোর এন্ড কোম্পানীগড়ে তোলেন যৌথ মুলধনী ব্যবসা। সে বছরই ব্যবসায়িক সুবিধার্থে টেগোর এন্ড কোম্পানী শিলাইদহ থেকে কুষ্টিয়ায় স্থানান্তরিত করেন। কোম্পানী দেখাশুনার জন্য কবি শহরের মিলপাড়ায় একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করেন। এখানে বসে কবি অসংখ্য কবিতা লিখেন যা পরবর্তিকালে ‘‘ক্ষণিকা’’, কথা ও কাহিনীতে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে এ ভবনটিও একটি দর্শনীয় স্থান।




বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার

ছেঁউড়িয়াস্থ বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজারআধ্যাত্মিক সাধক লালন শাহ’র কুমারখালীর ছেঁউড়িয়াতে আশ্রয় লাভ করেন এবং পরবর্তীকালে ছেঁউড়িয়াতে মৃত্যুর পর তাঁর সমাধি স্থলেই এক মিলন ক্ষেত্র (আখড়া) গড়ে ওঠে। ফকির লালন শাহের শিষ্য এবং দেশ বিদেশের অগনিত বাউলকুল এই আখড়াতেই বিশেষ তিথিতে সমবেত হয়ে উৎসবে মেতে উঠে। এই মরমী লোককবি নিরক্ষর হয়েও অসংখ্য লোক সংগীত রচনা করেছেন। বাউল দর্শন এখন কেবল দেশে নয়, বিদেশের ভাবুকদেরও কৌতুহলের উদ্রেক করেছে। ১৯৬৩ সালে সেখানে তার বর্তমান মাজারটি নির্মাণ করা হয় এবং তা উদ্বোধন করেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর মোনায়েম খান। ২০০৪ সালে সেখানেই আধুনিক মানের অডিটোরিয়ামসহ একাডেমি ভবন নির্মাণ করা হয়।




মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা

মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা সিন্ধুর রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় অবস্থিত। এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ছোট আকারের একটি লাইব্রেরী আছে। সম্প্রতি ১৭ অক্টোবর ২০০৮ সালে মীর মশাররফ হোসেনের নামে স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জেলা পরিষদ কুষ্টিয়া কর্তৃক বাস্তবায়নের জন্য একটি লাইব্রেরী ও অডিটরিয়াম এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রিপরিষদ সচিব জনাব আলী ইমাম মজুমদার।




কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের ছাপাখানা ও জাদুঘর

কুমারখালীতে কাঙাল হরিনাথ সড়ক দিয়ে কিছুদূরে কাঙাল হরিনাথ মিউজিয়াম ও বাড়ি। আধা কিমির মধ্যে এ দু’টো স্পট। লালনের সঙ্গে সখ্য ছিল কাঙাল হরিনাথের। পুরো নাম কাঙাল হরিনাথ মজুমদার। তিনি নদীয়া জেলার কুমারখালি (বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলা) জন্মগ্রহণ করেন। খুব ছোটবেলায় তার পিতা-মাতা লোকান্তরিত হন। তার পিতার নাম হরচন্দ্র মজুমদার। বাল্যকালে কৃষ্ণনাথ মজুমদারের ইংরেজি স্কুলে কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। কিন্তু অর্থাভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যাশিক্ষায় বেশীদূর অগ্রসর হতে পারেননি। তবে সারাজীবন অবহেলিত গ্রামবাংলায় শিক্ষাবিস্তারের জন্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রের মাধ্যমে আন্দোলন করেছেন তিনি। অতঃপর গোপাল কুণ্ডু, যাদব কুণ্ডু, গোপাল স্যান্যাল প্রমূখ বন্ধুদের সাহায্যে ১৩ জানুয়ারি, ১৮৫৫ সালে নিজ গ্রামে একটি ভার্নাকুলার বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন হরিনাথ মজুমদার। এরপর বেশ কিছুদিন ঐ বিদ্যালয়েই বিনাবেতনে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীকালে তারই সহায়তায় ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৫৬ সালে কৃষ্ণনাথ মজুমদার কুমারখালিতে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন।




কুষ্টিয়া কুমারখালী সংযোগ সেতু

পদ্মা নদীর পরে গড়াই কুষ্টিয়া জেলা থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। কুষ্টিয়া জেলার প্রধান শহরটি গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত। এই নদীটির উৎপত্তি কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে। কুষ্টিয়া জুড়ে এটি গড়াই নদী নামে পরিচিত। তবে এর পরে এটি কিছুক্ষণের জন্য মধুমতি নদী নামে পরিচিত এবং তারপরে বঙ্গোপসাগরে পড়ার আগে এটি হল বালেশ্বর নদী। বর্তমান দিনগুলিতে নদীর অবস্থা ভাল নয় কারণ শুকনো মরসুমে আপনি এতে খুব কমই জল দেখতে পেতেন।




এছাড়াও বিনোদন কেন্দ্র

পৌর পার্ক - কুমারখালী



ইকো পার্ক - কুমারখালী



আলাউদ্দিন আহম্মেদ শিক্ষা পল্লী পার্ক



শিলাইদহ কাঠের বাড়ি



Creators

Tausif Masud

(Developer)

Abu Esha

(Designer)